- হোম
- কীভাবে চলে
শুরু করা
একই দিনের বিকেলেই কাজ শুরু।
এমন সফটওয়্যারে সবাই ধরে নেয় এক মাস আর একজন কনসালট্যান্ট লাগবে। পুরো ব্যাপারটা এটুকুই — চারটা ধাপ, একটাতেও কাউকে আপনার অফিসে আসতে হয় না।
-
অ্যাকাউন্ট খুলুন
একটা ফর্ম। আপনার এজেন্সির নাম, আরএল নম্বর, আর মালিকের একটা লগইন। ৩০ দিন ফ্রি, কার্ড লাগবে না।
-
ভেতরে সব আগেই বসানো থাকে
জেলা, থানা, পেশা আর পেমেন্ট মেথড আপনার জন্য আগেই বসানো — প্রতিটা এজেন্সির যেগুলো দরকার আর কেউ টাইপ করতে চায় না।
-
স্টাফ যোগ করুন
প্রত্যেককে একটা লগইন দিন আর ঠিক করুন কে কী দেখতে পাবে। কতজন লগইন পাবে সেটা প্ল্যান ঠিক করে; টাকার হিসাব কে দেখবে সেটা ঠিক করে তার দায়িত্ব।
-
পাসেঞ্জার এন্ট্রি শুরু করুন
প্রথম ই-ফাইল সেই বিকেলেই বেরিয়ে যেতে পারে। ইনস্টল করার কিছু নেই, সেটিং ঠিক করার কিছু নেই, কাউকে ট্রেনিংয়ে পাঠানোরও দরকার নেই।
যা আগেই ভেতরে আছে
বাংলাদেশের প্রতিটা এজেন্সির যে তালিকাগুলো দরকার হয় আর কেউ টাইপ করতে চায় না। অ্যাকাউন্ট খোলার সাথে সাথেই সেগুলো ভেতরে বসানো থাকে।
আর যদি আপনার পছন্দ না হয়
একটা পাসপোর্ট ঢোকানোর আগে যে চারটা জিনিস জেনে রাখা ভালো।
আপনার অ্যাকাউন্ট শুধু আপনারই
প্রতিটা রেকর্ডে কোন এজেন্সির সেটা লেখা থাকে, আর প্রতিটা খোঁজ সেই এজেন্সির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অন্য কোনো এজেন্সি আপনার পাসেঞ্জারদের তালিকা দেখতে, খুঁজতে বা লিংক অনুমান করে খুলতে পারে না।
কার্ড কখনোই লাগে না
৩০ দিন ফ্রি, কিছুই লিখতে হয় না। এরপর আমরা ইনভয়েস দিই আর আপনি বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক ট্রান্সফার বা ক্যাশে পেমেন্ট করেন। নিজে থেকে কোনো টাকা কাটা হয় না।
আপনি গেলে আপনার তথ্যও সাথে যায়
যখন খুশি প্রতিটা তালিকা এক্সপোর্ট করুন, প্রতিটা রিপোর্ট প্রিন্ট করুন। চলে গেলে বললেই পুরো অ্যাকাউন্টের একটা কপি পাঠিয়ে দিই। ট্রায়াল শেষ হয়ে গেছে বলে কিছু মুছে ফেলা হয় না।
একই দিনের বিকেলেই কাজ শুরু
ইনস্টল করার কিছু নেই, কাউকে ট্রেনিংয়ে পাঠানোরও দরকার নেই। অ্যাকাউন্টে জেলা, থানা, পেশা আর পেমেন্ট মেথড আগেই বসানো থাকে।
এসবের বিস্তারিত আছে প্রশ্নের পাতায়, কিংবা সরাসরি আমাদের জিজ্ঞেস করুন.
৩০ দিন, নিজের ফাইল, কার্ড লাগবে না।
সাইনআপ করুন — এই লাইনটা পড়া শেষ হওয়ার আগেই অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।